বেদান্ত দর্শন: তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক দিক
Keywords:
বেদ, উপনিষদ, বেদান্ত দর্শন, শংকর, ব্রহ্ম, জীব, জগৎ, স্বামী বিবেকানন্দ, ব্যবহারিক বেদান্তAbstract
ভারতীয় দর্শন সম্প্রদায়গুলোকে আস্তিক ও নাস্তিক -এ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়| সাংখ্য, যোগ, ন্যায়, ˆবশেষিক, মীমাংসা ও বেদান্ত-এ ছয়টি দর্শন সম্প্রদায়কে আস্তিক, আর চার্বাক, বৌদ্ধ ও ˆজন- এ তিনটি দর্শন সম্প্রদায়কে নাস্তিক বলা হয়| অর্থাৎ বেদান্ত দর্শন হলো আস্তিক ষড়দর্শনের অন্তর্গত দর্শন| মহর্ষি বাদরায়ণ বেদান্ত দর্শনের তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন যা ব্রহ্মসূত্র নামে পরিচিত| ব্রহ্মসূত্রগুলো খুবই সংক্ষিপ্ত| এগুলোর অর্থ সহজবোধ্য নয়| তাই ব্রহ্মসূত্রের অর্থ ¯পষ্ট করার জন্য বিভিন্ন ভাষ্য রচনার প্রয়োজন দেখা দেয়| ব্রহ্মসূত্রের যেসব ভাষ্য রচিত হয়েছিল তার অধিকাংশই এর তাত্ত্বিক দিকের ব্যাখ্যায় ব্যাপৃত ছিল| কিন্তু কোন দর্শন শুধুমাত্র তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারেনা, এর প্রায়োগিক দিক থাকা বাঞ্ছনীয়| বেদান্ত দর্শনের এ প্রায়োগিক দিকের সন্ধান পাওয়া যায় স্বামী বিবেকানন্দের ব্যবহারিক বেদান্তে| এ প্রবন্ধে পর্যায়ক্রমে বেদান্ত দর্শনের তাত্ত্বিক দিক (তাত্ত্বিকভাষ্য) ও প্রায়োগিক দিক (ব্যবহারিক বেদান্ত) ব্যাখ্যা করা হয়েছে|